বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৮, ২০২৬

জনস্বাস্থ্য প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি বাড়াতে বিশ্বব্যাংককে আহ্বান এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর

জনস্বাস্থ্য প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি বাড়াতে বিশ্বব্যাংককে আহ্বান এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর

‘ইমপ্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস প্রজেক্ট’-এর অধীন কার্যক্রমসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলকে আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

আজ সকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে ‘ক্রিস্টোফ লেমিয়ের’ নেতৃত্বে আগত বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইউনিটের পরামর্শকদের বিশদ আলোচনা হয়।

বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরা হয়।
উল্লেখ্য, ‘ইমপ্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস প্রজেক্ট’টি মূলত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর জোর দিয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

এর মধ্যে রয়েছে— মশক ও বাহকবাহিত রোগ (ভেক্টর) নিয়ন্ত্রণ, হাসপাতাল-বহির্ভূত (আউটহাউস) মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, দাবদাহ, বায়ু ও শব্দদূষণসহ জনস্বাস্থ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও আচরণগত পরিবর্তনমূলক যোগাযোগ কৌশলের মাধ্যমে ব্যাপক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অসংক্রামক রোগ হ্রাসে প্রয়োজনীয় সুবিধা তৈরি করা।

প্রকল্পটির আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো— ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এবং ঢাকা সংলগ্ন সাভার ও তারাব পৌরসভা।

প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

একই সঙ্গে নগরের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তিনি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য পৃথক দুটি নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিদলকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক শিবির বিচিত্র বড়ুয়া ও স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. রবিউল ইসলামসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।