পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে সরকার ত্রিপক্ষীয় মজুরি কমিশন গঠন করেছে। আগামী ডিসেম্বর থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের সিদ্ধান্তের পর বৃহস্পতিবার সকালে জেলার অধিকাংশ কারখানায় শ্রমিকরা কাজে যোগ দেন।
টঙ্গী, বাসন, কোনাবাড়ি ও শ্রীপুরের প্রায় শতভাগ কারখানায় উৎপাদন স্বাভাবিক ছিল। তবে সম্ভাব্য হামলা এড়াতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মহাসড়কগুলোতে যান চলাচলও স্বাভাবিক ছিল।
শ্রমিক ও সংগঠনগুলোর নেতারা মজুরি বোর্ডের মাধ্যমে আলোচনায় ন্যায্য সমাধানের আশা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে আন্দোলনে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
গত শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলন চলে। এতে কয়েকটি কারখানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২৫ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিজিবি, পুলিশ, শিল্প পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য বাহিনী দায়িত্ব পালন করছে।
